চুলের দার্শনিকতা
একবার এক লোকের মাথায় টেনশনের কারণে চুল পড়তে শুরু করলো।
ডাক্তারের কাছে গেলো, ডাক্তার বললো –
“আপনি বেশি টেনশন নিবেন না, তাহলেই চুল বাঁচবে।”
লোকটা রাগে ফেটে পড়লো –
“ডাক্তার সাহেব, টেনশনে চুল পড়ে গেলো ঠিক আছে,
কিন্তু আমি তো খুশিতেও থাকি মাঝে মাঝে,
তখন কেন নতুন চুল গজায় না? খুশির কোনো কাজ নাই নাকি? 🤨”
🔹 এরপর শুরু হলো আসল কাহিনি।
লোকটা ঠিক করলো, এখন থেকে ২৪ ঘন্টা শুধু খুশি থাকবে।
সকালে ভাত খেয়ে বললো –
“ওরে বাহ! ভাতটা কী দারুণ মজা! নতুন চুল আসছে নাকি?”
আয়নায় তাকিয়ে—
“হুমম… নাহ, কিছু নাই।”
বিকালে চা খেয়ে লাফ দিয়ে উঠলো –
“বাহ! এক কাপ চা খেয়ে খুশি লাগছে!
এইবার মনে হয় চুল গজাবে।”
আবার আয়নায় গিয়ে দেখলো, মাথা আরও চকচক করছে।
রাতে বউ বললো –
“চুপচাপ ঘুমাও, মাথার ভেতর কী নাটক করছ?”
সে উত্তর দিলো –
“আমি গবেষণা করছি, খুশিতে চুল জন্মায় কিনা।”
বউ হেসে বললো –
“তোর মাথায় চুল না গজিয়ে গজাবে পেঁয়াজ, চাল খাওয়ার টেনশনে।” 🤣🤣
🔹 দ্বিতীয় দিন লোকটা বাজারে গেলো।
সেখানে দাঁড়িয়ে সবাইকে ফ্রি ফ্রি হাসি বিলাচ্ছে।
একজন জিজ্ঞেস করলো –
“ভাই, এত হাসতেছেন কেন?”
লোকটা উত্তর দিলো –
“আমি খুশি আছি, মাথায় চুল গজাবে।”
দোকানদার হেসে বললো –
“চুল গজানোর বদলে পুলিশ গজাবে, যদি বেশি ফালতু কাজ করেন।” 🤣
🔹 তৃতীয় দিন সে গেলো এক বিউটি পার্লারে।
বললো –
“আপনারা শুধু মেয়েদের সুন্দর করেন কেন?
আমার মাথায় একটু খুশি মাখিয়ে দেন, চুল জন্মাবে।”
পার্লারের আণ্টি তোতলাতে লাগলো –
“খুশি তো বডি স্প্রে, ওটা মাথায় মাখলে আবার পোকা জন্মাবে।” 🤣🤣
🔹 অবশেষে সে এক বাবার দরবারে গেলো।
বললো –
“হুজুর, আমাকে দোয়া দেন, খুশিতে আমার মাথায় চুল গজায়।”
হুজুর চোখ বড় করে তাকিয়ে বললেন –
“বেটা, টেনশনে চুল পড়ে কারণ টেনশন সত্যি।
কিন্তু খুশিতে চুল গজায় না কারণ তুই প্রতিদিন যে খুশি দেখাস, সেটা অল্প সময়ের।
চুল গজাতে হলে লম্বা খুশি লাগে, মানে বউ যদি শপিং বাদ দেয়, তখন হয়তো কিছু আশা করতে পারিস।”
লোকটা একদম হতবাক 😳।
চুল না গজিয়ে মাথায় আবার নতুন টেনশন গজালো! 🤣🤣
চুল গজানো সহজ হলে,
আজকের দিনে সেলুন থাকতো না,
চুল কেটে ফেলার পর সবাই নাচতে নাচতে ঘরে যেতো –
“আরে কালই আবার গজাবে, এখন মজা করি!” 🤣🤣🤣
