১. ডেথ ভ্যালি (Death Valley) – ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সবচেয়ে গরম জায়গা।
এখানে দিনের তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়!
পাহাড়, বালি আর মরুভূমির এমন ভয়ংকর পরিবেশ যেখানে মানুষ পানি ছাড়া কয়েক ঘণ্টাও বাঁচতে পারে না।
অনেক পর্যটক এখানে হারিয়ে গেছেন। পানির অভাব ও উত্তাপের কারণে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
🔺 বিশেষ ভয়ংকর কারণ:
তাপমাত্রা এত বেশি যে, গাড়ির টায়ার গলে যেতে পারে।
২. নর্থ সেন্টিনেল দ্বীপ (North Sentinel Island) – ভারত মহাসাগর
এখানকার আদিবাসীরা বাইরের মানুষ দেখলেই আক্রমণ করে।
এই দ্বীপে সেন্টিনেলিজ জাতি বসবাস করে, যারা হাজার হাজার বছর ধরে বাইরের কারো সংস্পর্শে আসেনি।
যখন কেউ নৌকা বা হেলিকপ্টার নিয়ে দ্বীপের কাছে যায়, তারা তীর ছুঁড়ে মেরে ফেলে।
সরকারও এই দ্বীপে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছে।
🔺 বিশেষ ভয়ংকর কারণ:
দ্বীপবাসীরা বাইরের কাউকে বাঁচতে দেয় না। ২০১৮ সালে এক পর্যটককে হত্যা করা হয়েছিল।
৩. অকিগাহারা বন (Aokigahara Forest) – জাপান
এই বনকে বলা হয় “আত্মহত্যার বন”।
ফুজি পর্বতের পাদদেশে এই ঘন বনটি অবস্থিত। শত শত মানুষ এখানে এসে আত্মহত্যা করেছে।
বনের ভিতরে গেলে চারপাশে ভৌতিক নীরবতা, পথ হারানোর সম্ভাবনা, মোবাইলের সিগনাল থাকে না।
🔺 বিশেষ ভয়ংকর কারণ:
বনের গাছে লেখা থাকে: “দয়া করে ফিরে যান, জীবন আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ!”
৪. মাউন্ট ওয়াশিংটন (Mount Washington) – যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ আবহাওয়া এখানেই রেকর্ড করা হয়েছে।
এই পর্বতের চূড়ায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৭০ কিমি পর্যন্ত উঠেছে!
তাপমাত্রা ভয়ংকরভাবে হঠাৎ হঠাৎ কমে যায়। আবহাওয়া এতটাই বিপজ্জনক যে, পর্যটকদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।
🔺 বিশেষ ভয়ংকর কারণ:
বাতাস এত জোরে বয়ে যায় যে, মানুষকে উড়িয়ে নিতে পারে।
৫. ড্যানাকিল ডিপ্রেশন (Danakil Depression) – ইথিওপিয়া
এই জায়গা দেখতে পরকালের মত।
মাটির নিচে আগ্নেয়গিরি, সালফারের গ্যাস, ফুটন্ত কাদা আর তীব্র গন্ধে পরিবেশ ভয়ানক।
তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায় এবং পরিবেশে বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাস নেওয়া কঠিন।
🔺 বিশেষ ভয়ংকর কারণ:
এখানে পানি নেই, ছায়া নেই, বাতাসে গ্যাস—সব মিলিয়ে একেবারে “ভূতের রাজ্য”।
> পৃথিবীতে অনেক সুন্দর জায়গা আছে, তবে এই জায়গাগুলো প্রাকৃতিক ভয়ংকরতা ও অজানা রহস্যে ঘেরা।
এই স্থানগুলো মানুষকে শেখায় – প্রকৃতি যেমন মমতাময়ী, তেমনি ভয়ংকরও হতে পারে।
