মানুষকে হাসানুর গল্প | প্রচুর হাসি প্রায়

হাসতে হাসতে দাঁত নেই

হাসতে হাসতে দাঁত নেই

হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরবে😆😆

পুলিশের এস*আই পদে নিয়োগের মৌখিক পরী*ক্ষা নিচ্ছেন এসপি সাহেব।

শেষ প্রার্থীকে কয়েকটি প্রশ্ন করার পর এসপি জিজ্ঞেস করলেন, ‘বলুন তো গীতাঞ্জলি কে লিখেছে?’

লোকটি উত্তর দেয়ার আগেই এসপির ফোন বেজে উঠল। তিনি ফোন ধরে ‌’স্যার স্যার’ বলে সম্বোধন করলেন। তারপর বললেন, ‘স্যার আমি এখনই অ্যাক*শন নিচ্ছি।’

ফোন রেখে তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেরিয়ে এসে সামনে পেলেন এক ওসিকে। তাকে বললেন, ‘আমার রুমে একজনকে রেখে এসেছি, ওকে জিজ্ঞেস করবে গীতাঞ্জলি কে লিখেছে এবং উত্তরটা আমাকে জানাবে।’

ওসি বলল, ‘স্যার কোনো চিন্তা করবেন না, আমি এক্ষুনি জেনে নিচ্ছি।’

দুইঘন্টা পর এসপি ফিরে এসে তার রুমের ভেতর থেকে কান্নাকাটি, চিৎ*কার-চেঁচা*মেচি শুনতে পেলেন। অবাক হয়ে রুমে ঢুকে দেখেন চাকরিপ্রার্থী হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছে, নাক-মুখ থেকে ঝরছে র*ক্ত।

এসপি বি*স্মিত হয়ে ওসিকে বললেন, ‘আমি তোমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে বলেছি, আর তুমি এর কী হাল করেছো!’

ওসি উত্তর দিল, ‘স্যার, এই ব্যাটা তো মহা বদ*মা*য়েশ। আমি বললাম গীতাঞ্জলি কে লিখেছে সত্যি করে বল। সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে একজনের নাম বলে। আমি তাকে সতর্ক করে বললাম, সত্য কথা বল নাহলে তোর খবর করে দেব। তাও সে কিছুতেই নিজের সম্পৃ*ক্ততা স্বী*কার করে না। পরে বললাম, তোর বাসায় ত*ল্লাশি করলে কিন্তু ম*দের বো*তল ও ইয়া*বা পাওয়া যাবে, তাও শয়*তানটা ভয় পায় না। বারবার ওই একই নাম বলে। আর কী করার থাকে স্যার বলুন, দিলাম থা*র্ড ডি*গ্রি।

অবশেষে এইমাত্র ব্যাটা স্বী*কার করছে যে, কোনো রবীন্দ্রনাথ না, ও নিজে গীতা*ঞ্জলি লিখেছে এবং ওর ছোটো ভাইও এর সাথে জড়িত ছিলো।😆😆

ঝাড়ুর হাসির গল্প

একটা ছোট্ট শহরের একেবারে ভেতরের গলিতে থাকে রোজি। রোজি সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও দেখে আর রাত জেগে চ্যাট করে। সকাল হলে তার চোখ লাল, চুল খাড়া আর মুখটা “আমি কই আছি?” টাইপের অবস্থা হয়।

একদিন রোজির মা বলল,

— “আজ ঘর ঝাড়ু দিবি না তো রাতের খাবার পাস্তা দিবো না!”

রোজি তো রান্নাঘরের পাস্তা ছাড়া থাকতে পারে না। তাই অর্ধেক ঘুমে, চোখ বন্ধ আর চুলের জঙ্গল মাথায় নিয়েই ঝাড়ু ধরল।

রোজি ঘরের ভেতর ঝাড়ু দিতে দিতে ভুলে গেল যে ওর হাতে ঝাড়ু, সে নাচের স্টেপ দিয়ে ঝাড়ু ঘোরাতে শুরু করল। একসময় হঠাৎ ঝাড়ু ঘুরে গিয়ে ছাদের ফ্যানের সাথে লেগে গেল। ফ্যান ঘুরছে – ঝাড়ু ঘুরছে – রোজিও ঘুরছে। পুরো পাড়া হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে।

পাশের খালাতো ভাই এসে বলল,

— “দিদি, ঝাড়ুতে উড়াল প্র্যাকটিস করছ নাকি?”

রোজি বলল,

— “হ্যাঁ, পরের হ্যালোউইনে ডাইনির কস্টিউমে ট্রেনিং নিচ্ছি!”

এবার পাড়ার বাচ্চারা মজা দেখতে এসে বলল,

— “রোজি আপা ঝাড়ুতে ফ্লাইট চালু করলো!”

কেউ ভিডিও করে ভাইরাল করে দিল।

দুই দিন পর রোজির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাইরাল হলো যে তাকে “ঝাড়ু কুইন রোজি” নামে ডাকতে লাগল সবাই। রোজির মা এখন বলছে,

— “বাবাহ! ঝাড়ু দিয়া এমন খ্যাতি আর কেউ পাইছে?”

রোজি এখন মজা করে বলে,

— “ঘুমের চুলে, ঝাড়ু হাতে আর ঘুরে ঘুরে বিখ্যাত হয়েছি। ঝাড়ু না থাকলে আজ আমি কে হতাম!”