প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া
প্রবাসী স্বামী, যে তার স্ত্রীকে ভালো থাকার জন্য পরিশ্রম করে, কখনো ভাবতে পারে না, তার স্ত্রী একাকীত্বের শিকার হয়ে অন্যের কাছে খুঁজে নেবে সঙ্গ। তার নজরে তখন শুধু টাকা আর ভবিষ্যত থাকে, কিন্তু স্ত্রীর হৃদয়ে তখন অনুপস্থিতি আর অবহেলা।
স্বামী যতই টাকা পাঠাক, স্ত্রীর মন যদি খালি থাকে, তবে তার ভালোবাসা আর শূন্যতা পূরণ করার জন্য কেউ না কেউ আসবেই। একদিন স্ত্রী বুঝে ফেলে, যে কিছুই আর আগের মতো নেই। স্বামী যখন পাশে থাকে না, তখন আরেকজন এসে তার অনুভূতিগুলো পূর্ণ করে দেয়।
প্রবাসী স্বামী মনে করে, স্ত্রীর ভালো থাকার জন্য শুধু টাকা পাঠানোই যথেষ্ট। কিন্তু সে জানে না, সময় আর যত্নের অভাব সেই সম্পর্কের ভিত ধরে টান দেবে, আর সেই শূন্যস্থানকে অন্য কেউ পূর্ণ করবে।
স্ত্রী একসময় বুঝতে পারে, শুধুই অপেক্ষা আর অভাবের মধ্যে সে বাঁচতে পারবে না। যখন তার পাশে কেউ এসে দাঁড়ায়, তখন স্বামীর অবহেলা আর একাকীত্বের কষ্ট ভুলে যায়। সে অনুভব করে, ভালোবাসা শুধু আর্থিক নয়, অনুভূতিও জরুরি।
প্রবাসী স্ত্রীর একাকীত্ব যখন বেড়ে যায়, তখন তাকে আর্থিক সহায়তা দেয়া আর নয়। তার মন খালি হয়ে যায়, আর তখন পরকীয়া আসে। নতুন সঙ্গী তাকে সঙ্গ দেয়, যা তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে দিতে পারেনি।
স্বামী আর স্ত্রী যখন একে অপর থেকে দূরে, তখন সম্পর্কের ভিত্তি টালমাটাল হতে থাকে। স্ত্রীর মন যদি শূন্য হয়ে যায়, তখন তাকে অন্য কোথাও পূর্ণতা খুঁজতে হয়। কিছু কিছু সম্পর্ক কেবল টাকার মাধ্যমে টিকে থাকে না, তাদের মধ্যে ভালোবাসা ও সঙ্গের প্রয়োজন হয়।
প্রবাসী স্বামী ভাবতে পারে, স্ত্রীর জন্য সে সব কিছু করছে। কিন্তু যখন স্ত্রীর হৃদয়ে বিরহ এসে বসে, তখন তার মনের চাহিদা অন্য কোথাও পূর্ণ হয়। এক সময় পরকীয়া তার জীবনে প্রবেশ করে, যেটা স্বামী কখনোই কল্পনা করতে পারেনি।
একটি সম্পর্ক যতই দূরত্ব সৃষ্টি হোক, যদি সেখানকার ভালোবাসা প্রকৃত না হয়, তবে সে সম্পর্ক এক সময় ভেঙে পড়তে বাধ্য। স্ত্রীর একাকীত্ব এবং মনের অভাবই পরকীয়ার জন্ম দেয়, আর সেখানেই স্বামীর ব্যর্থতা প্রকাশ পায়।
