টিফিন বক্সের রহস্য: মজার গল্প নতুন খুব হাসির

হাসতে হাসতে পাগল হয়ে যাবার গল্প: টিফিন বক্সের রহস্য

হাসতে হাসতে পাগল হয়ে যাবার গল্প

এক গ্রামে থাকত রুবেল নামের এক ছেলে। সে ছিল খুবই সরল এবং একটু মজার স্বভাবের। রুবেলের একটা বড় দুর্বলতা ছিল — তার টিফিন বক্স! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছো, টিফিন বক্স!

প্রতিদিন সকালে মা বাসায় টিফিন প্যাক করত রুবেলের জন্য। কিন্তু রুবেল কখনোই সে টিফিন খেতে পারত না সময়মতো। কারণ তার টিফিন বক্সে যেন কোনো রহস্য লুকিয়ে থাকে!

একদিন স্কুল থেকে ফিরে রুবেল টিফিন খুলতেই দেখতে পেল, টিফিনের ভেতর দিয়ে একটা ছোট্ট মেসেজ গুঁজে রাখা আছে — "এই টিফিন আজকের দুপুরের জন্য নয়, কালকের জন্য রাখো।" রুবেল অবাক হয়ে ভাবল, "মা কি মজা করতেছে?"

পরের দিন টিফিন খুলল, মেসেজ দেখল — "এটা তো আগের দিনের খাবার, আজকের খাবার তো আলাদা আছে।" রুবেল কপালে ভাঁজ দিয়ে ভাবল, "আমি কি কোনো ফাঁকি খেলছি?"

তৃতীয় দিন টিফিন খুলতেই দেখা গেল, ভেতর থেকে একটা ছোট্ট নোট — "খাবার ভালো করে গরম করো, না হলে খাবার তাজা লাগবে না।" রুবেল তখনই ঠিক করল, গরম করে খাবো। কিন্তু স্কুলে গিয়ে বুঝল গরম করার ও সুযোগ নেই!

এভাবে সাত দিন চলল টিফিনের ছোটো ছোটো মেসেজ আর রহস্য। রুবেল সব মেসেজ পড়ত আর হাসত, কিন্তু খাবার খেতে পারত না। কারণ তার টিফিন বক্সে সব সময় এক অদ্ভুত রহস্য লুকানো থাকত!

একদিন তার বন্ধুরা জিজ্ঞেস করল, "তুই টিফিন কেন খাস না? কেন এত হাসছো?"

রুবেল বলল, "আমার টিফিন বক্সটা যেন কথা বলতে পারে! প্রতিদিন নতুন নতুন মেসেজ পাঠায়, কিন্তু খাবার খাওয়ায় আমার কাছে একেবারেই সময় দেয় না!"

বন্ধুরা হেসে পড়ল, আর কেউ বলল, "তুই হয়তো টিফিনের জাদুকরকে ডেকে আনেছিস!"

তবুও, রুবেল ঠিক করল, এই রহস্যময় টিফিন বক্সের মজার মেসেজগুলো তার স্কুল জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতি হয়ে থাকবে।

শেষ কথা: জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলোতেও যদি আমরা মজা খুঁজে পাই, তাহলে দিন গুলোই হাসিখুশিতে ভরে যাবে। রুবেলের মতো টিফিন বক্স যদি কথা বলতে পারে, তবে তুমি কেমন গল্প করো? 😄