নাট–বল্টুর জীবনের সেরা গল্প | হাসি থামবে না কঠিন ও চরম হাসি

নাট–বল্টুর জীবনের সেরা গল্প

নাট–বল্টুর জীবনের সেরা গল্প

নাট আর বল্টু—এই দুই বন্ধু এমন এক জুটি, যাদের দেখলে মানুষ ভাবে “এরা দুজন বোধহয় জন্মের পর থেকেই এক্সট্রা ডোজ কমেডি খেয়ে এসেছে।”

একদিন নাট সকালে উঠেই বল্টুকে ফোন দিলো।

👉 নাটঃ "বল্টু! আজকে আমাদের জীবনের সেরা দিন বানাবো।"

👉 বল্টুঃ "সেটা কিভাবে?"

👉 নাটঃ "আজকে আমরা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় কাজ করবো… খালি খালি লোকে হাসাবে!"

👉 বল্টুঃ "মানে, তুই কি আমার গার্লফ্রেন্ডের সামনে নাচার প্ল্যান করেছিস নাকি?"

স্কুল থেকে শুরু

তাদের স্কুল জীবনেই কাণ্ডকারখানা শুরু। একদিন মাস্টার জিজ্ঞেস করলো –

👉 মাস্টারঃ "বল্টু, বল তো পৃথিবী গোল কেন?"

👉 বল্টুঃ "স্যার, এটা যদি চ্যাপ্টা হতো, আমরা সবাই পড়ে যেতাম।"

পুরো ক্লাস হেসে গড়াগড়ি।

নাট তখন যোগ করলো –

👉 নাটঃ "স্যার, আমার আব্বা বলে পৃথিবী গোল না হলে ক্রিকেট খেলাই হতো না।"

মাস্টার রেগে গেলেও, হাসি চেপে রাখতে পারলো না।

প্রেমে কাণ্ড

কলেজে গিয়ে দুজনেই প্রেমে পড়লো। নাটের প্রেমিকা বললো –

👉 "তুমি আমাকে কেমন ভালোবাসো বলো তো?"

নাট এক সেকেন্ড চিন্তা করে বললো –

👉 "তোমাকে আমি তেমনই ভালোবাসি, যেমন মোবাইলের চার্জ ১% এ চলে গেলে চার্জার খুঁজে ভালোবাসি।"

অন্যদিকে বল্টু প্রেমিকাকে বললো –

👉 "তোমার জন্য আমি চাঁদও এনে দেবো।"

মেয়েটা মিষ্টি করে বললো –

👉 "আহা, সত্যি?"

বল্টু বললো –

👉 "হ্যাঁ, তবে হাতে একটু সময় দাও, আমি কক্সবাজার থেকে চাঁদের মতো নারকেল কিনে আনবো।"

অফিসে হাসির কাণ্ড

চাকরি পেলো দুজন একসাথে। প্রথম দিন বস বললো –

👉 "তোমরা কে কোন কাজে ভালো?"

নাট বললো – "আমি কাজে ভালো না, কিন্তু কাজে না লেগে হাসাতে পারি।"

বল্টু বললো – "আমি কিছুই পারি না, কিন্তু নাটকে সামলাতে পারি।"

বস মাথায় হাত দিয়ে বললো – "বাবা রে, তোমাদের নিয়োগ দিয়ে মনে হয় আমি অফিস না, সার্কাস খুললাম।"

বিয়ের কাণ্ড

বিয়ে হলো একদিন নাটের। বাসর রাতে নাট রোমান্টিক হয়ে বললো –

👉 "প্রিয়তমা, আমি তোমার জন্য গান গাইবো।"

সে গেয়ে উঠলো –

🎶 "চোখে চোখে কথা বলি…"

কিন্তু পাশের রুমে বল্টু হঠাৎ হাই তোলার মতো গলায় গেয়ে উঠলো –

🎶 "ভাত দে মা, ক্ষুধে মোরে খাইতে দে মা…"

বউ ভয়ে ভয়ে বললো –

👉 "তোমার বন্ধুরে আগে ডিভোর্স দাও, তারপর আমাকে আগলে রেখো।"

জীবনের সেরা কাণ্ড

একদিন নাট–বল্টু সিদ্ধান্ত নিলো তারা বিশ্ব রেকর্ড করবে।

রেকর্ড হলো – এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি বার হাঁচি দেওয়ার প্রতিযোগিতা।

নাট মরিচ ঘ্রাণ করে ১৫ বার হাঁচলো।

বল্টু বেশি খেতে গিয়ে পুরো মরিচ খেয়ে ফেললো।

তারপর বল্টুর হাঁচি থামেই না—হাঁচতে হাঁচতে গরুর গাড়ি থেকে পড়ে গেলো, হাঁসের পুকুরে গিয়ে পড়লো। হাঁসগুলো ভয় পেয়ে পালাতে লাগলো।

লোকজন বললো –

👉 "হাঁস উড়লো কেন?"

অন্য কেউ উত্তর দিলো –

👉 "ওই যে বল্টু নামক ঝড় নেমেছে!"

শেষে তারা কোনো বিশ্ব রেকর্ড করতে পারলো না, কিন্তু পুরো গ্রাম হেসে লুটোপুটি খেলো।

👉 নাট–বল্টু জীবনে কখনো সিরিয়াস হতে পারেনি।

👉 কিন্তু তারা শিখিয়েছে, জীবন যত কঠিনই হোক, হাসির মধ্যে থাকলেই সেটা সেরা জীবন হয়।