প্রবাসীর স্ত্রী – ভয়ংকর রূপ আর স্বামীর শিক্ষা
রাশেদ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী। জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে সে বিদেশে গেছে শুধু স্ত্রী আর সংসারের ভবিষ্যৎ গড়তে। যাওয়ার আগে স্ত্রী সালমাকে বলেছিল—
👉 রাশেদ: “আমি কষ্ট করব, কিন্তু তোমাকে কষ্ট করতে দিব না। তবে একটা কথা মনে রেখো, সব টাকা চাইলে পাবা না। আমি কিছু রেখে দিব, কারণ আমার চোখ সবসময় খোলা থাকবে।”
সালমা হাসি দিয়ে মাথা নেড়ে বলেছিল—
👉 সালমা: “তুমি শুধু টাকাটা পাঠাও, বাকি আমি সামলে নিব।”
স্ত্রীর আসল চেহারা
কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই সালমার ভেতরের আসল রূপ বের হলো।
সে সবসময় অভিযোগ তুলতে লাগলো—
👉 “এই টাকায় চলে? বাজারের দাম জানো? তুমি আসলে কৃপণ, সংসারের কথা ভাবো না।”
রাশেদ বুঝলো, আসল খরচ সংসারে নয়, বরং সাজগোজ, ঘোরাঘুরি আর অযথা বিলাসিতায় যাচ্ছে।
প্রেমের ফাঁদ
একদিন রাশেদ হঠাৎ খবর পেলো, সালমা প্রায়ই শহরে যায়, মোবাইল লুকিয়ে ব্যবহার করে, আর এক লোকের সাথে দেখা করে।
বিদেশ থেকে ফোন করে রাশেদ জিজ্ঞেস করলো—
👉 রাশেদ: “তুমি কই যাও এত?”
👉 সালমা: “মেয়ের পড়াশোনা, নিজের প্রয়োজন... তুমি বুঝবে না।”
কিন্তু সত্যিটা ছিল ভয়ংকর—সে অন্য কারও সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে।
স্বামীর ফেরা
রাশেদ হঠাৎ দেশে চলে এলো, কারও কাছে কিছু না বলে। ঘরে ঢুকে দেখে সালমা সাজগোজে ব্যস্ত, কিন্তু তাকে দেখে ভড়কে গেলো।
👉 রাশেদ শান্ত গলায় বললো:
“আমি তোকে বাঁচাইতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তুই আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলি।”
সালমা গলা উঁচু করে বললো—
👉 “আমি তোমার পাঠানো টাকায় চলে আসছি, তুমি যদি আমাকে খুশি করতে না পারো তবে আমি নিজের মতো করে বাঁচব। তুমি কি করবে?”
এইবার রাশেদ চুপ থাকলো না।
শিক্ষার সময়
রাশেদ পরিবার ও গ্রামবাসীকে ডাকলো। সবার সামনে বললো—
👉 “স্ত্রী যদি স্বামীকে প্রতারণা করে, তবে তার কোনো অধিকার থাকে না। আমি আমার সংসার ধ্বংস হতে দিব না।”
তারপর গ্রামের মসজিদের ইমামকে ডেকে, সালমার সামনেই নতুন এক মেয়ে—পরিচিত, সৎ ও ভালো চরিত্রের—তার সাথে বিয়ে পড়ালো।
সালমা স্তম্ভিত হয়ে গেলো!
👉 “তুমি আমার সামনেই বিয়ে করলে?”
রাশেদ উত্তর দিলো—
👉 “হ্যাঁ, কারণ তুমি শুধু আমার না, আমার সন্তানেরও শত্রু হয়েছো। তুমি প্রমাণ করেছো তুমি আমার ঘরের যোগ্য না। আমি আমার সংসার নতুনভাবে শুরু করবো, কিন্তু তোমাকে আর সুযোগ দেব না।”
শেষ পরিণতি
সালমা সেই দিন প্রথম বুঝলো, প্রবাসীরা বোকা নয়।
তারা শুধু টাকা পাঠানো মেশিন নয়, বরং বুদ্ধিমান।
যে নারী স্বামীকে প্রতারণা করে, সে শেষমেষ স্বামীকে হারায় আর নিজের সম্মানও হারায়।
অন্যদিকে রাশেদ নতুন সংসারে শান্তি খুঁজে পেলো। সে বলতো—
👉 “প্রবাসীর ঘামে ভেজা টাকা কোনো মেয়ে যদি প্রতারণায় খরচ করে, তবে তার স্থান আমার ঘরে নয়। সত্যিকার সঙ্গী সেই, যে স্বামীর ঘামকে মূল্য দেয়।”
শিক্ষা
এই কাহিনী শেখায়—
👉 সব টাকা স্ত্রীর হাতে দেয়া বোকামি।
👉 প্রবাসীর উচিত নিজের ঘর, সন্তানের ভবিষ্যৎ ও নিজের সম্মানকে আগে দেখা।
👉 প্রতারণাকারী স্ত্রীর সামনে নতুন জীবন শুরু করাই আসল শিক্ষা।
